Sunday, 1 January 2017

বেটি


Image result for abstract color pencil art of bengal village girl

আমোদের আজকাল দিন ভালোই কাটছে । সব্জি চাষটাও বেশ তাগড়াই হয়েছে । কুমড়ো , লাউ , বেগুণ সরেস –পুষ্ট । গ্রামটার পাশেই নানা গাছ গাছালি । শহুরে হাওয়া এখন পুরোপুরি আসতে বাকী । আমোদের সংসার নেহাতই ছোট । ঘড়ে স্ত্রী আর দুই বলদ - চাষের জন্য । এদের আর মাঠের কাজ কর্ম নিয়ে দিব্যি কেটে যায় হাতে গোনা ক’টা ঋতু । ছয় ঋতু অনেককাল আগেই মিলিঝুলি সরকার !
                                              না ! আমোদের সন্তান হয় নি । এর এর জন্য সে অবশ্য কপালকে দোষ দেয় না । ভাগ্যবতী স্ত্রী লতা । প্রথম দিকে গ্রীষ্মের খরার সাথে নিজেকে তুলনা করলেও , স্বামীর আহ্লাদে প্রায় ভুলেই গেছে সে ‘বাঁজা’ । কিছু বছর আগেও গ্রামের বৌ-ঝিরা ফিসফিস করে ওই শব্দটিকে আরাম করে পুকুরঘাটে , রাস্তায় , মাটির রোয়াকে পান চিবুতে চিবুতে আলোচ্য বিষয় করে তুলত । দিনের শেষে রাতের আঁধারে এক সময়ে কম কাঁদেনি লতা ! বিশ্বাসের গোড়ায় যখন টান পরে তখন কুসংস্কারও দিব্যি পরগাছার মত ইতি উতি উঁকি মারে । ঝাঁর ফুঁক , তাবিজ কবজ সবই করিয়েছে উভয়ে ।
                                           লতার মনটাকে ভালোবাসে আমোদ । যে জমিতে ফসল জন্মায় না , সেখানে আরও চাষ কর – এটা যেমন আমোদ চাষি জানে । ঠিক তেমনি সাংসারিক জমিতে স্বামীর ভূমিকাও কম নয় ! তাই লতার মনের সাথে আপাত মূর্খ আমোদও তাবিজ বাঁধতে একরত্তিও কুণ্ঠা বোধ করে নি ।
‘ কাজ না থাকলে খই ভাজ ’ । আমোদের হাতে ওসব দেখে বন্ধু মহলও টিটকারি করতেও ছাড়েনি ।
-     “ বৌ সোহাগ স্বামী ” হারাণ জ্যাঠা তো একবার মুখ ফুটেই বলেই ফেলে ।
আমোদ এইসব কথা শুনে চোটে না বরং হাসে । এটাই তার সব চেয়ে বড় গুণ । মাঝে মাঝে সেও মুখ চালায় , “ জ্যাঠা , তার মানে তুমি জ্যাঠিকে যে সোহাগ কর না , ঠিক আছে জানিয়ে দেব !” ব্যাস ওইটুকুই বলে হাঁটা দেয় ।
                                    নিভন্ত উননে ছাই বেশির ভাগ থাকে । তাকে খোঁচালে যে আগুন বের হয় তা দিয়ে খুব একটা কিছু হয় না । মাঝে মাঝে হাওয়া যদি একটু বেশী হয় তাহলে আগুনের হল্কা পাওয়া যায় মাত্র । ক্রমশ গ্রামের লোকদের মুখে ব্যঙ্গও কমে আসে , অন্যদিকে লতা বা আমোদের জীবনের ধারাপাতে ‘বাঁজা’ উপাধি খুব একটা আর দাগ ফেলে না ।
এবছরটা তাদের জমিতে লক্ষ্মীর কৃপা । মোটামুটি স্বছলতার আভাস পাওয়া যায় । স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে নানা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা । কথা বলতে বলতে হঠাৎ লতা এক দৌড়ে বাইরে বেড়িয়ে যায় । বউয়ের এমন আচরণে আমোদ ঘাবড়ে ওঠে ।
-     “ কি গো হল কি তোমার !” প্রায় চেঁচিয়ে ওঠে আমোদ ।
-     “ আরে তুমি শুনতে পাও নি ! বাইরে এস ” বাইরের বারান্দা থেকে লতা উঁচু গলায় জবাব দেয় ।
বেড়িয়ে কান পেতে মন দিয়ে শোনার চেষ্টা করে আমোদ । গ্রামে রাতটা একটু তাড়াতাড়ি হয়ে যায় । ভাল করে শোনা না গেলেও বহুদূর থেকে চাপা কান্না আর কিছু চাপা কথাবার্তার আওয়াজ ভেসে আসছে ।
                                   পাকা বাঁশের খুঁটিটা জড়িয়ে ধরে লতা একমনে দাঁড়িয়ে থাকে । কাঁধে আমোদের হাত পরতেই সে চমকে উঠে পাশ ফেরে ।
-     “ জগা তাহলে গেল ” একটা গভীর নিঃশ্বাস চেড়ে আমোদ বলে ওঠে । অন্ধকারের মধ্যে অনুভব করে লতা মাঝে মাঝে কেঁপে উঠছে । অবাক হয়ে আমোদ আবার বলে , “ কি হয়েছে তোমার ! তুমি কাঁদছ !”
-     “ কই না তো ” ছোট্ট উত্তর দেয় লতা ।
আমোদ সব সহ্য করতে পারে কিন্তু বউয়ের চোখে জল বা কষ্ট তার কাছে শত আঘাতের থেকেও বড় । প্রায় জোড় করে টেনে নিয়ে যায় ঘড়ে । দোর বন্ধ করে ঘড়ের হাল্কা আলোয় আমোদ ভালো করে দেখার চেষ্টা করে লতার মুখের প্রতিটি টান । আঁতকে ওঠে দেখেই !
-     “ একি তোমার চোখ যে লাল !”
-     “ ও কিছু নয় , ঠাণ্ডা বাতাস লেগে অমন হয়েছে ” নিজেকে সামলে নিয়ে লতা অন্য দিকে যায় ।
আমোদ বেশী ঘাটায় না । সে জানে লতা চাপা মেয়েএটাও বোঝে তার বউ খুবই নরম স্বভাবের । জগার মৃত্যু তার নরম মাটিকে বেশ খানিকটা নাড়া দিয়েছে ।
                                 এই গ্রামে একমাত্র ভদ্র শিক্ষিত ছেলে ছিল জগা ।  শহরের কাজ হঠাৎ-ই ছেড়ে দিয়ে গ্রামে চলে আসে । গ্রামটা খুব একটা তো বড় না প্রথম দিকে আলাপ না হলে পরে ভালো ভাবে পরিচয় হয়ে যায় । খুব জোর দু-এক বছরের ছোটই হবে জগা । মাঝে মধ্যে সময় বার করে চলে আসে আমোদের বাড়ী । আর লতাও ধীরে ধীরে দেওর হিসাবে একটু প্রাধান্য দিতেও শুরু করে । আমোদের তিন কুলে কেউ নেই সুতরাং বন্ধুত্ব ক্রমশ আপনজনের স্থান নিয়ে ফেলে
                            কয়েকদিন আগেই মাঠ থেকে ফিরে দেখে লতা রান্না করতে করতে দিব্যি আড্ডা দিচ্ছে জগার সাথে । মনে মনে খুশী হয়ে বলদ দুটিকে গোয়ালে বেঁধে সেও মেতে ওঠে ওদেরই সাথে । কথা প্রসঙ্গে জানতে পারে শহরে যে জুটমিলে কাজ করত তা আচমকা নোটিশ দিয়ে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে । বেকার প্রায় কয়েকশো মানুষ । জগাও তাদের মধ্যে একজন । গ্রামে কিছুদিন থেকে নতুন চাকরীর সন্ধান করবে ।
                                আজ নানা কথা মনে পরে যাচ্ছে আমোদের । সত্যি মানুষের অনুপস্থিতি কত কি মনে করিয়ে দেয় !
-     “ লতা আমি একটু আসছি ” – জামাটা গায়ে পরতে পরতে বলে আমোদ ।
-     “ আমিও যাব তোমার সাথে ” কথাটা প্রায় চাপা অথচ ধারালো গলায় বলে ওঠে লতা ।
খট্‌ করে কানে লাগল ! এ ধরণের গলা ইতিমধ্যে কোনদিন শুনেছে বলে মনে হয় না । খানিকটা চুপ করে থেকে আমোদ বলে উঠলো “ তোমাকে কি যেতেই হবে ? জানোই তো নানা লোক তোমাকে নিয়ে...” কথাটা শেষ হওয়ার আগেই দেখল লতা পরনের শাড়িটা ভাল করে গুঁজে আমোদের হাতটা শক্ত করে ধরেছে । নির্বাক কণ্ঠে স্পষ্টই বোঝা যাচ্ছে , সে যাবেই ।
                                       হাতের টর্চটা মাঝে মধ্যে জ্বালাতে হচ্ছে । গ্রামের সরু গলি বেয়ে জগার বাড়ীর দিকে যত এগোচ্ছে তত কান্নার শব্দ তীব্র হয়ে রাতের অন্ধকারকে আরও ভারী করে তুলছে ।
শহরের মেয়ে জ্যোৎস্নাকে প্রেম করে শাঁখা সিঁদুর পরিয়ে ঘরে এনেছিল । মেয়েটিকে ভালো রকম পরিশ্রম করতেও হয়েছিল তার নতুন জীবন যাত্রার সাথে । এদিকে চাকরী চলে গিয়ে প্রথম যখন গ্রামে জগা আসে তখন আসন্ন প্রসব অবস্থা দেখে কিছুই বলে উঠতে পারে নি । শুধু জিজ্ঞাসা করলেই বলত , “ বাহ রে আমার বুঝি দেখতে ইচ্ছা করে না !”
তারপরেই এক সকালে হঠাৎ জ্যোৎস্না পা পিছলে পুকুর পাড়ে পরে যায় । বেকার জগা জমানো টাকা, জমি বন্ধক দিয়েও তিন দিনে যমের সাথে লড়াই করেও বাঁচাতে পারে নি ।
                                       গ্রামীন হাসপাতালে তিন দিনের দিন দুপুর বেলা ছ’মাসের গর্ভবতী জ্যোৎস্নার নিথর দেহ জগাকে একটা পাথরে পরিণত করে ফেলেছিল । জীবনের দুর্বিপাকে হারিয়েছিল এক ধার দিয়ে – স্ত্রী , আসন্ন সন্তান , চাকরী ! কোন এক কাল গ্রহের ফেরে তছনছ হয়ে যায় ওর জীবন । এক সময়ের প্রাণবন্ত যুবকের মধ্যে শুরু হয় মানসিক বিকার । মাঝে মধ্যেই জ্বরে পড়ত । আর ঠিক তখনই আমোদ আর লতা জগার প্রতি সহানুভুতির হাত বাড়িয়ে দেয় । নিজে ‘বাঁজা’ বলে লতা এ সব ঘটনা জানলেও আগ বাড়িয়ে যায় নি । কিন্তু একটা মানুষ যখন শেষ হয়ে যাচ্ছে তখন গ্রামের তথাকথিত শৃঙ্খলা ভঙ্গ করতে লতা বা আমোদ দ্বিধা বোধও করে নি । হয়ত , পিতৃত্বের এক চাপা জ্বালা আমোদের কাছাকাছি নিয়ে আসে জগাকে ।
                                        কিছুদিন যাবৎ আবার ধুম জ্বরে পরেছিল । আজও সকালে গ্রামের ডাক্তার দেখে খুব একটা খুশী হয় নি । আর এখন জগা নেই ! জীবনে সময়ের ইতিহাসটা বড্ড দ্রুত লয়ে চলে । ধরতে পারাটাই খুবই মুশকিল !
                                          যতদিন কাজ ছিল জ্যোৎস্নার পাশে সকলেই ছিল । জগার বেকারত্বের জীবনের কাহিনী যখন বাজারে নানা আকারে বার হতে লাগল তখন আসন্ন প্রসবা জ্যোৎস্না আর জগার জীবনে বন্ধ্যা জমির মত আত্মীয় পরিজনও ক্রমান্বয়ে দূরত্ব বাড়াতে থাকে । জ্যোৎস্নার মৃত্যুর পর জীবন প্রবাহে আকস্মিক যে খরা শুরু হয়েছিল আজ সেখানে পড়ল দীর্ঘ এক ইতি । শুধু শোকের জন্য শোক প্রদর্শন মানুষের এক বিচিত্র স্বভাব ! তাই জগার ইতির পরেও ওঠে কান্নার মিথ্যার রব ।
বৈশাখী হাওয়ার সূচনাতেই কালবৈশাখীর দাপট বেশ ক’বার আছড়ে পরে গেছে । সমস্ত চাষি পরিবারেই একটা চাপা সুখের উল্লাস । উল্লাসের হাওয়া আমোদের মত ক্ষুদ্র চাষি পরিবারেও । প্রথমদিকে বোঝা যায় নি ! তারপর শাড়ীর বহরে টান পরতেই আমোদের চোখ খুলল হাল্কা ভাবে । বিশ্বাস হয় নি কালবৈশাখীর ঝোড়ো হাওয়ার সাথে উড়ে আসবে বীজ । বৃষ্টির প্রথম ফোঁটায় যে সোঁদা সোঁদা গন্ধ বেরোয় ঠিক সেরকম স্নিগ্ধতা আসবে লতার গর্ভেও !
                             অবশ্য কয়েকদিন ধরে গ্রামের লোকেরা আকস্মিক ভাবে পিরীত করতে শুরু করে দেয় । ডাক্তার যেদিন একগাল হাঁসি হেঁসে বলল , “ আমোদ ! এবার খুশী তো ! বাবা হতে চলেছ !” সেদিন চোখের জল ধরে রাখতে পারে নি সে ।
                                 বহুদিন পর তার অনুর্বর সংসারে নবাঙ্কুরের আগমন । ডাক্তার চলে যাওয়ার পর লতাকে জড়িয়ে ধরে খুব করে আদর করল । কিন্তু অদ্ভুত ভাবে লতার মুখ বিষণ্ণ ! উদাস চোখে তাকিয়ে থাকে বাইরের দিকে । আমোদ বিষয়টা লক্ষ্য করেও যতটা দরকার তার থেকেও উঠে পরে লাগে লতার খেয়াল রাখতে । সে চায় না জ্যোৎস্নার মত কোন বিপদ ঘটুক !
                                    শনি মন্দিরের গোপেশ্বর পন্ডিত তো বেজায় খুশী । একদিন আমোদকে রাস্তায় পাকড়াও করে বলে , “ কি বাবা আমোদ , ভুলে গেলে ! সেই যে তাবিজ দিয়ে বলেছিলাম নির্ঘাত ফল হবে !”
-     “ সে আর বলতে ঠাকুর মশাই , চিন্তা নেই সব ঠিক হলে পুজো দেব ” বলেই হাল্কা হেঁসে আমোদ রাস্তা ধরে ।
মাঝরাতে প্রবল পসব বেদনা উঠতেই ব্যস্ত হয়ে পরে আমোদ । আগে থেকেই ডাক্তারের পরামর্শ অনুসারে তৈরিই ছিল । পাড়ার কিছু বন্ধু স্থানীয়রা মিলে সারা রাত হাসপাতালে ছিল । চাপা উত্তেজনার পর এখন শরীর ক্লান্ত । আমোদ দেওয়ালের একপাশে বেঞ্চিতে চোখের পাতাটা একটু বন্ধ করেছে ।
                           বৈশাখের দ্বিতীয় সপ্তাহের প্রথম সোমবার সূর্যের প্রথম কিরণের সূচনায় নার্সের মৃদু ঝাঁকুনিতে চোখ মেলেই ধড় ফড়িয়ে ওঠে সে ।
-     “ যাও, দেখ গিয়ে মেয়ে হয়েছে
‘ মেয়ে হয়েছে ’ একটু থম মেরে গিয়েই সচকিত হয়ে যায় আমোদ । হনহনিয়ে হাঁটা দিতেই নার্স আবার বলে ওঠে , “ আরে ! ভাই বিকেলে এস, এখন নয় ।”
-     “ সব ঠিক আছে তো ” এক অজানা ভয়ার্ত গলায় কথাটা বললে নার্স হাল্কা হেঁসে হ্যাঁ সূচক হাঁসি দিয়ে হাঁটা লাগায় ।
সময়টা মাঝে মধ্যে বড়ই ঢিলে তালে চলে । বিকাল আসতে আজ বড্ড দেরী করছে । তবুও দেরীতে হলেও বিকেল যথা সময়েই হল । কাঁপা পায়ে লতার কাছে গেল আমোদ । পাশেই শোয়া দেবকন্যার মত এক শিশু । পাশের টুলে বসে পরে আমোদ ধপ করে । দু’হাত ধরে লতার হাত । উষ্ণতার স্পর্শে লতার দু’গাল বেয়ে জল পরে । কোন মতে তাকায় স্বামীর চোখে , এত আনন্দ আগে কখনও সে দেখে নি ।
-     “ লতা ঠিক তোমার মত মুখটা , আমাদের মা লক্ষ্মীর
লতা চুপ করে থাকে । বাইরে দীর্ঘ ক্লান্ত আলোর রেশ । আমোদ একটু কাছে এগিয়ে লতার মাথায় হাত বোলাতে বোলাতে বলে ওঠে , “ কিছু ভুল হয় নি ! আমিই অক্ষম ছিলাম ।”
লতা কিছু বলতে গেলেই আমোদ স্ত্রীর ঠোঁটে আঙুল দিয়ে বলে , “ চুপ । আজ আর আমাদের ঘরে মেয়ে এসেছে । ও শুধুই আমাদের মেয়ে ।”
-     “ তুমি জানতে সব ! জগার সাথে আমার...” ভিজে চোখে আস্তে করে বলে লতা । হাল্কা হেঁসে চোখের জল মোছাতে মোছাতে মাথা নাড়ায় আমোদ ।

দুই গ্রাম্য অশিক্ষিত মানুষের জীবনে যা ঘটে গেল তা হয়ত অতি আধুনিক শহরের জীবন যাপনের মাধ্যম হয় বিশেষক্ষেত্রে । লতা যা করেছিল তা হয়ত ক্ষমার যোগ্য নাও হতে পারে । কিন্তু , এই ভুলটা অনেক কিছুর উত্তর নীরবে দিয়ে গেল ।।   

No comments:

Post a Comment

মহাভারতে অর্জুন থেকে বৈদিক যুগে নৃত্যকলা

আধুনিক জীবনে নৃত্য আমাদের সকলের কাছে মনরঞ্জনের জন্য এক বৃহৎ মাধ্যম । কিন্তু এই শিল্পের শিকড় খুব যে আধুনিক নয় তা আমরা জানি । বেদ থেকে...