Saturday, 12 March 2016

আজান-আহ্বান

আজান
আকাশের শামিয়ানাকে ভেদ করে বলেছিল -
স্তব্দ কর লাঞ্ছনা; প্রসব করবে
যে সন্তান,ষে শুনুক মাতৃ-হৃদয়ের
বিভীষিকাহীন রক্তের স্পন্দন !
ছুটে চলেছে যে প্রবাহ সুন্দরী থেকে
আসমানি সূর্যের উদয়মান ঊষার
লগ্নে,আজ গাও মানুষের গান !

বুড়ো বটের তলে জমিয়েছে কিছু স্মৃতিচারনার মিশ্রণ ,
ধোঁয়া ওঠা নিশীথ পল্লীর যে শব্দ ওঠে
কালচে হাঁড়ির ফুটন্ত জঠর থেকে অথবা
শিশিরে ঘুমিয়ে থাকা পদ্মার কাল-স্রোতে!

বিদ্যুত বেগে যে ধাতব স্পর্শ করেছিল
সঙ্গমরত উষ্ণ শরীরের ভাষাকে,হারিয়েছিল -
পথ মধুকর ডিঙা,বারুদের জয় তিলক শুকনো পাতার নিষ্পাপ চোখকেও পরায়
ঈর্ষার কাজল -লতা !

আজান
সাক্ষী আছে আজও! পিচ ঢালা রাস্তা ,
সবুজে ভরা উন্মুক্ত প্রান্তরে ;
সারিবদ্ধ ইসমাইলের সাথে নবীন
যে গান গাইছে সাম্যের , অতল থেকে
ধ্বনিত হচ্ছে যে আত্ম-গৌরবের গাঁথা ,
কবর-শ্মশান আজ ঘুমাও কাঙ্খিত
ফেলে আসা শান্তির ঘুম ;
জেগে উঠেছে বিজয় কেতন
মন্দির থেকে শ্যামের মন্দিরে !!

No comments:

Post a Comment

মহাভারতে অর্জুন থেকে বৈদিক যুগে নৃত্যকলা

আধুনিক জীবনে নৃত্য আমাদের সকলের কাছে মনরঞ্জনের জন্য এক বৃহৎ মাধ্যম । কিন্তু এই শিল্পের শিকড় খুব যে আধুনিক নয় তা আমরা জানি । বেদ থেকে...